অনলাইন রিপোর্টারঃ
আগামী শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে দেশের জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। অনুষ্ঠানটি সকাল ১১টায় শুরু হবে এবং এতে জাতীয় সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদ সংস্থা এবং অনলাইন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করবেন।
বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন বাস্তব কারণে দেশের গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকরা তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি দেখা-সাক্ষাৎ বা শুভেচ্ছা বিনিময় করার সুযোগ পাননি। সেই প্রেক্ষাপটে এবারের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। বিএনপি আশা করছে, এই সভার মাধ্যমে গণমাধ্যমের সঙ্গে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পাবে এবং দলটির সঙ্গে সাংবাদিকদের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সই করা এক আমন্ত্রণ বার্তায় জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানানো হয়েছে। আমন্ত্রণে উল্লেখ করা হয়েছে, শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শুধু প্রাতিষ্ঠানিক নয়, বরং সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে বিএনপির সর্ম্পক আরও দৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে গণ্য হবে।
দলীয় সূত্র আরও জানায়, অনুষ্ঠানের আয়োজন মূলত সাংবাদিকদের সম্মানার্থে করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকরা দলীয় কার্যক্রম, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশের গণমাধ্যমের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে পারবেন। এ ধরনের সরাসরি মেলামেশার মাধ্যমে দল এবং গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে দলের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
বিএনপি আশা করছে, এই শুভেচ্ছা বিনিময় শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি দলের রাজনৈতিক ভাবমূর্তির উন্নয়ন এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে স্থিতিশীল ও প্রাঞ্জল সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার একটি পদক্ষেপ। বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন এবং অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা তারেক রহমানের বক্তব্য শুনে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলের পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারণা পাবেন। এছাড়া তারা গণমাধ্যমের উন্নয়ন, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক চর্চা বিষয়ে তাদের মতামত বিনিময় করতে পারবেন। বিএনপি আশা করছে, অনুষ্ঠানটি মিডিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং দেশের গণমাধ্যমের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াবে।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকরা বিভিন্ন বিষয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে একান্তে আলোচনা করতে পারবেন এবং পরবর্তী সংবাদ প্রকাশে সহায়তা নেওয়া হবে। দলের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে আয়োজন করা হয়েছে।