শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
Eid Bazar ! Eid Bazar ! Held on 30th March Saturday @ Paterson Firemanhall, Adress 226 Walnut ST, Paterson, NJ 07522 /  9th International Women's Day Award Held on April 27, 2024 @ The Brownston, 251 West Broadway, Paterson, NJ .7522 Ticket 70 Dollar Per Person Get Tickets From www.eventbrite.com

পাকিস্তান থেকে বিএনপি ও তারেক রহমানকে অভিনন্দন

রিপোর্টার / ৫ বার
আপডেটের সময় : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

অনলাইন রিপোর্টারঃ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়ে গেছে। এই নির্বাচনে জয়লাভ করায় বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি ও অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বিশেষভাবে বিএনপি ও তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বিবিসি খবরে জানিয়েছেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে এবং বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদার করার জন্য নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রাখে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ঢাকার নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ অঞ্চলে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, স্বাধীন ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাভিত্তিক সম্পৃক্ততা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ রয়টার্সের মাধ্যমে প্রকাশিত বার্তায় বলেছেন, বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিজয় অর্জন করায় তিনি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। তিনি বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে লিখেছেন, “বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিজয় অর্জন করায় আমি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। নির্বাচন সফল করায় বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানাই।”

প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, “আমি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চাই; যেন আমাদের ঐতিহাসিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয় এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়া যায়।”

এছাড়াও, নির্বাচনের সফলতা ও বিজয়ী হওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রশংসা করেছেন। দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিএনপির জয় নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সহায়ক সংস্থা এবং প্রতিবেশী দেশগুলো এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উন্নয়নকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছে।

এ নির্বাচনে বিএনপি দেশের প্রায় দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন পেয়েছে বিএনপি ও তার জোটভুক্ত প্রার্থীরা। জামায়াত ও মিত্র দল পেয়েছে ৭৩টি আসন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসন এবং অন্যান্য স্বতন্ত্র প্রার্থী সাতটি আসনে জয়লাভ করেছেন। এ ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন।

পাকিস্তানের নেতাদের অভিনন্দন দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানের এই অভিনন্দন এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আস্থা বৃদ্ধি করবে। এছাড়া, দেশের নতুন সরকারকে দায়িত্ব পালন ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উৎসাহিত করবে।

বিএনপি ও তারেক রহমানের জয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। প্রতিবেশী দেশগুলো নতুন সরকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতায় আরও কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে। এতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নীতি ও পরিকল্পনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

নির্বাচনে জয়লাভের পর তারেক রহমান দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আন্তর্জাতিকভাবে পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ থেকে অভিনন্দন পেলে সরকারের দায়িত্ব পালনে স্বীকৃতি ও সমর্থন বৃদ্ধি পাবে।

এ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল হচ্ছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও সংবিধান রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাকিস্তানের অভিনন্দন এবং সমর্থন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত করবে।

অতীতে পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক জটিল থাকলেও নির্বাচনের পর এই অভিনন্দন নতুন রাজনৈতিক পরিবেশে সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি করছে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি দেশের জনগণ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে। তারেক রহমান সরকারের নেতৃত্বে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রস্তুত। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন জানানোয় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

বিজয়ী সরকার দেশজুড়ে অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে মনোযোগ দেবে। পাকিস্তানের অভিনন্দন এই সরকারের বৈদেশিক নীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এভাবে, পাকিস্তান থেকে পাওয়া অভিনন্দন বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি আস্থা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।


এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর