অনলাইন রিপোর্টারঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ ও গণভোট সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর চীন বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে। চীনের দূতাবাস শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় একটি বার্তায় বাংলাদেশের জনগণকে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)কে অভিনন্দন জানিয়েছে।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, চীন বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করার প্রত্যাশা জানিয়েছে। এই অভিনন্দন বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে ধরা হচ্ছে।
বাংলাদেশে নির্বাচনের দিন সারাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটাররা নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে তাদের মত প্রকাশ করেছেন এবং গণতান্ত্রিক অধিকার যথাযথভাবে ব্যবহার করেছেন। চীন এই প্রক্রিয়াকে স্বীকৃতি দিয়ে দেশটির গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও প্রশাসনিক সক্ষমতার প্রশংসা করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক শক্তিগুলোর এই ধরনের স্বীকৃতি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। চীনের অভিনন্দন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে শক্তিশালী করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিক উন্মোচন করবে। বিশেষ করে বাণিজ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।
বিএনপি দলের দায়িত্বশীল নেতারা এই অভিনন্দনকে দেশের জনগণ ও দলের নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থা হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। তারা জানিয়েছেন, দেশের কল্যাণ এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা বজায় রেখে নির্বাচিত হওয়া নেতারা সরকার গঠন করবেন এবং দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন।
এই অভিনন্দন রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতি আস্থা বাড়াবে। নির্বাচনের সফলতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ বিশ্বের কাছে দেশের স্থিতিশীল ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক চিত্র উপস্থাপন করেছে।
চীনের বার্তা শুধু অভিনন্দনেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য নতুন দিকনির্দেশনার সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।