রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
Eid Bazar ! Eid Bazar ! Held on 30th March Saturday @ Paterson Firemanhall, Adress 226 Walnut ST, Paterson, NJ 07522 /  9th International Women's Day Award Held on April 27, 2024 @ The Brownston, 251 West Broadway, Paterson, NJ .7522 Ticket 70 Dollar Per Person Get Tickets From www.eventbrite.com

ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানও হামলার জন্য নতুন মার্কিন স্থাপনা খুঁজছে

রিপোর্টার / ৪ বার
আপডেটের সময় : রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান নতুন মার্কিন স্থাপনাকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক কর্মকর্তা। এতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আজ শনিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক বার্তায় ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর আঘাত হানার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এমন নতুন লক্ষ্যবস্তু বিবেচনা করছে যেগুলোতে হামলা হলে ইরানের জন্য ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং নিশ্চিত মৃত্যু’ ডেকে আনতে পারে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর পরপরই ইরানের পক্ষ থেকেও পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসে। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক চাপ নয়, বরং সরাসরি ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিস্তারের হুমকি।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্টভাবে ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা বাড়ানোর এবং সরাসরি তাদের হত্যা করার ইঙ্গিত দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরান তার প্রতিরক্ষা কৌশল পুনর্বিবেচনা করছে এবং নতুন সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করার কাজ শুরু করেছে।

ইরানি ওই কর্মকর্তা আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি, অঞ্চল এবং তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নতুন করে পর্যালোচনার আওতায় আনা হচ্ছে। যেসব স্থাপনা এখনও পর্যন্ত ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল না, সেগুলোও নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং সম্ভাব্য যেকোনো আক্রমণের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, ইরান নিজস্ব নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে আপস করবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা উত্তেজনা আবারও নতুন মাত্রা পেতে পারে। দুই দেশের নেতাদের কঠোর বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে সামরিক হুমকি ও পাল্টা হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বাড়ার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

এদিকে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের বক্তব্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক আলোচনার পথই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হতে পারে। কারণ সরাসরি সামরিক সংঘাত হলে তা শুধু দুই দেশেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আগেই সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করা প্রয়োজন।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উভয় পক্ষের বক্তব্য এবং পরবর্তী পদক্ষেপই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে।

সূত্র: সিএনএন


এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর