ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান।
শপথ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অংশ নেন। শপথ গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো।
সূত্র জানায়, শপথ অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কড়া। অনুষ্ঠানস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়। অতিথিদের জন্য নির্ধারিত স্থানে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমোদন ব্যবস্থা ছিল।
শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় সকাল থেকেই ছিল বাড়তি তৎপরতা। বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও প্রস্তুত ছিলেন। দক্ষিণ প্লাজার আশপাশে উপস্থিতি ছিল গণমাধ্যমকর্মীদেরও।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ পাঠ করানোর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই শপথ গ্রহণ দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়। নির্বাচনের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার এটি ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অতিথিদের মধ্যে অনেকে নতুন সরকারের কাছে স্থিতিশীলতা, কার্যকর সংসদ এবং জনমুখী উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। অবশেষে শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সেই প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হলো।
শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিদের মতে, নতুন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ থাকবে অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা এবং জনজীবনের স্বস্তি নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
এদিকে শপথ অনুষ্ঠানের পর নতুন সরকারের পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।